শুক্রবার , মে ২৪ ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ফণী : সাতক্ষীরায় আশ্রয় কেন্দ্রে ১০ হাজার মানুষ


ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাতক্ষীরায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। বাতাসের গতিবেগও বেড়েছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলি যে কোনো মূহুর্তে ধসে যেতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে। কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ উপচে পানি উঠতে শুরু করেছে।

শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুর এবং আশাশুনির প্রতাপনগর ও আনুলিয়া ইউনিয়নে বেড়িবাঁধগুলি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। খবর পাওয়া গেছে আশাশুনির বলাবাড়িয়া গ্রামে খোলপেটুয়া নদীর জোয়ারের পানির চাপে রাস্তায় ফাটল ধরেছে। তাৎক্ষণিকভাবে নদীভাঙ্গন রোধে ইউপি সদস্য দিলিপ কুমার মন্ডলের নেতৃত্বে স্থানীয়রা কাজ করছেন।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলাপ্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শ্যামনগর ও আশাশুনির ১০ হাজার মানুষকে ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। ১৩৭ টি সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন খুলে রাখা হয়েছে। আশ্রয়গ্রহণকারীদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন মোট ১১৬ টি মেডিকেল টিম এখন মাঠে রয়েছে। সিপিপির চার হাজার স্বেচ্ছাসেবকের সাথে জনপ্রতিনিধিদের কর্মীবাহিনী, যুব কেন্দ্রের সদস্যরা কাজ করছেন। পৃথকভাবে পুলিশও মাঠে রয়েছে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে সাহায্য করছেন। ফায়ার ব্রিগেড, কোষ্ট গার্ড, আনসার সদস্যরাও প্রস্তুত রয়েছে। জেলা সব উপজেলায় একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সাতক্ষীরার ১৩শ’ জনপ্রতিনিধি তাদের নিজ অবস্থান থেকে ফণী মোকাবেলায় সাধ্যমত কাজ করছেন।

শেয়ার