মঙ্গলবার , জুন ১৮ ২০১৯
ব্রেকিং নিউজ

খুলন্য়া সঙ্গীত শিল্পী শাওনের আত্মহনন


খুলনার রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ফারহানা ইয়াসমিন শাওন আত্মহত্যা করেছেন। রোববার নগরীর শেরে বাংলা রোডের ৩ নম্বর কাশিমনগর শিল্প এলাকার ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন পুলিশ ও চিকিৎসকরা।

ফারহানা ইয়াসমিন শাওন নগরীর আল কাতরা মিল এলাকার শেখ আবদুল হকের মেয়ে। এক বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে শাওন ছিলেন বড়। তিনি ডুমুরিয়া সাজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ছিলেন। খুলনার ভাড়া বাসা থেকেই শিকতা করতেন। পাশাপাশি রবীন্দ্র সংগীতের প্রশিক হিসেবেও খ্যাতি ছিলো তার। গত ৬ মে জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় শাওনকে। শাওনের সহকর্মী লিটন ঢালী জানান, ৬ মাস আগে স্বামী অপু খানের সঙ্গে ডিভোর্স হয় শাওনের। এনিয়ে মানসিকভাবে তিনি কিছুটা বিপর্যস্ত ছিলেন। বাবার বাড়ি পাশে হলেও তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরেক শিক শাহানা আলিমার সঙ্গে কাশিমনগর এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

শাওনের রুমমেট শাহানা আলিমা জানান, রোববার সকালে ঘুম থেকে উঠে শাওনকে মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত দেখেন। দু’জনে কিছুণ কথা বলার পর যে যার কে চলে যান। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শাওনের ঘর থেকে কোনো শব্দ না আসায় তিনি ডাকাডাকি করেন। পরে আশপাশের বাড়ি থেকে অন্যরা এসে কাঁচের দরজা ভেঙ্গে শাওনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খুলনা সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত থাকায় শাওন প্রায় ঘুমের ওষুধ খেতেন। পরিবার ও বন্ধুদের প থেকে একাধিকবার তাকে ঘুমের ওষুধ খেতে নিষেধ করা হয়েছিলো। কিন্তু তারপরও তিনি শুনতেন না। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তারপরও সঠিক কারণ খুজে বের করতে লাশ ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

শেয়ার